ইবাদতের শাব্দিক অর্থ : নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় মনে করা, আনুগত্য করা, গোলামী করা, সেবা করা, দাসত্ব করা, বিনয়ী হওয়া, বিনয় প্রকাশ করা, নিজেকে ছোট মনে করা, আল্লাহকে এক বলে বিশ্বাস করা প্রভৃতি ।
ইবাদতের পারিভাষিক অর্থ : মহান আল্লাহ তাআ'লার শ্রেষ্ঠত্ব ও সীমাহীন ক্ষমতার সামনে নিজের চরম অসহায়ত্ব ও অক্ষমতাকে মনে রেখে তাঁর আযাবের ভয়ে ও রহমতের আশায় মহান আল্লাহর প্রতি চূড়ান্ত শ্রদ্ধা, মহব্বত ও ভক্তিসহকারে তাঁর কাছে চূড়ান্ত বিনয়সহকারে সম্পূর্ণ নতিস্বীকার করাই হলো মহান আল্লাহর ইবাদত ।
তবে আল্লাহর কাছে বিনয় ও নতিস্বীকার কুরআন ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত পদ্ধতি অনুযায়ী হতে হবে । অহি ও অহিথ্রাপ্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশিত নিয়ম-পন্থার পরোয়া না করে কারো মনগড়া মত ও পথে ইবাদত বা নতিস্বীকারের পন্থা আবিষ্কার করা বিদআ'ত ও ক্ষেত্রবিশেষে কুফরী । নিচে উল্লিখিতপবিত্র কুরআনে হাকীমের অংশটুকু অর্থসহ মুখস্থ রাখা এবং পাঠ করতে অভ্যস্ত হওয়া ইবাদতকে মহান আল্লাহর জন্য খালেছ করতে বড়ই সহায়ক । মহান আল্লাহ বলেন : قل إن صلاتي ونسكي ومحياي ومماتي لله رب العلمين لا شريك له ( সূরা আনআম, আয়াত ১৬২-১৬৩ )
অর্থ : বলো , নিশ্চয় আমার নামায, আমার কুরবানী-আমার যাবতীয় ইবাদত, আমার জীবন ও আমার মরণ আল্লাহর জন্যই, যিনি সমগ্র সৃষ্টজগতের পালনকর্তা-প্রভু । নেই কোনো শরীক তাঁর ।
উল্লেখ্য, সর্বপ্রকার ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম - এর সুন্নাত অনুসরণে সালাত ( নামায ) আদায় করা ।
0 মন্তব্যসমূহ